বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ তৈরি হলে শেষ পর্যন্ত ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শিশুটির জৈবিক পিতৃত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে শিশুটির পরিচয় ও কিশোরীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা উচিত নয়। বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্ক ভুক্তভোগীর নাম, ছবি, ঠিকানা বা এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকা জরুরি, যার মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়।যদি ডিএনএ পরীক্ষার ফল আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়ে থাকে, তাহলে সেটি মামলার তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তবে শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দাবি বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা ঠিক নয়।ঘটনাটির সত্যতা, ডিএনএ পরীক্ষার প্রকৃত ফল এবং আইনগত পরবর্তী পদক্ষেপ—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।
অবশে’ষে ডিএনএ পরীক্ষায় প্রমাণ হলো সেই মাদ্রাসা শিক্ষকই জন্ম নেওয়া শি’/শু