নেপালের সম্পূর্ন দেশ ধংশ হতে পারে

কেয়ামতের দিনের কথা যখন কোরআনে বর্ণনা করা হয়, পাহাড়গুলো তুলার মতো উড়ে যাবে, পৃথিবী প্র’ক’ম্পি’’ত হবে, আর মানুষ ছুটবে দিগ্বিদিক—কিন্তু পা’লা’নো’র কোনো জায়গা থাকবে না।**গতকাল নেপালের রাসুয়া জেলায় যা ঘটল, তা যেন সেই ভয়ংকর দৃশ্যেরই এক ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি।**মানুষ তখনও বুঝতে পারেনি, তাদের দিকে কী এগিয়ে আসছে। কেউ স্বাভাবিকভাবে দাঁড়িয়ে, কেউ কাজে ব্যস্ত, হঠাৎ পাহাড়ের দিক থেকে দেখা দিল প্রবল স্রোত।তারপর সবকিছু ঘটল এত দ্রুত যে **অনেক মানুষ বাঁচার জন্য দৌড় শুরু করার সুযোগটুকুও পাননি।**যারা বি’প’দ’টা চোখে দেখে ফেলেছিলেন, তারা প্রাণপণে দৌড়াতে শুরু করেন। কেউ উঁচু জায়গার দিকে ছুটেছেন, কেউ আশ্রয় খুঁজেছেন। কিন্তু স্রোতের গতি এত বেশি ছিল যে তাদের অনেকে সেখানেই মা’’রা যান ।**প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায়, তিমুরে এলাকায় পানির স্রোত প্রায় **১০০ মিটার উঁচু ঢেউয়ের মতো** এগিয়ে আসে। সেখানে থাকা শত শত মানুষ এবং **৩০০-এর বেশি গাড়ি ও ট্রাক** ভয়াবহ স্রোতের মুখে পড়ে।আরও ভয়ংকর হলো, কিছু এলাকায় মাত্র **আধা ঘণ্টার মধ্যে পানির উচ্চতা প্রায় ৯ মিটার** পর্যন্ত বেড়ে যায়।নেপালের এই দৃশ্য দেখে সত্যিই মনে হয়—প্রকৃতি যখন হঠাৎ তার ভয়ংকর শক্তি প্রকাশ করে, তখন মানুষের হাতে বাঁচার জন্য অনেক সময় কয়েক মিনিট তো দূরের কথা, **একটি পূর্ণ সেকেন্ডও থাকে না।**কে’য়া’ম’তের আসল ভয়াবহতা আমরা কেউ জানি না। কিন্তু নেপালের সেই মুহূর্তগুলো দেখে অন্তত এটুকু বোঝা যায়—যেদিন সত্যিই পৃথিবী প্রকম্পিত হবে, সেদিন মানুষের অসহায়ত্ব কতটা ভয়ংকর।#nepal #trending #viral #flash_flood #নেপাল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *