দেশের চলমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব ও কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি এই সংকট মোকাবিলায় তারা সরকারের কাছে ৯০ দিনের একটি হিসাব এবং চার দফা সংস্কার প্রস্তাব পেশ করেছে।
জামায়াতের দেওয়া প্রধান প্রস্তাব ও সমাধানগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি এনার্জি সেল গঠন: জ্বালানিসংকট দ্রুত নিরসনে অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) নিয়ে একটি জরুরি সেল গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- ৪ দফা সংস্কার প্রস্তাব:
- পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের পরিচালনা পর্ষদে নির্দিষ্ট আর্থিক সীমার মধ্যে জরুরি ওয়ার্কওভার ও সংস্কারকাজের অনুমোদনক্ষমতা প্রদান।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র কবে উৎপাদনে আসবে এবং এর ট্যারিফ বা বিদ্যুৎমূল্য কত হবে, তা জনগণকে স্পষ্টভাবে জানানো।
- জরুরি দরপত্র মূল্যায়নের জন্য একটি স্থায়ী মূল্যায়ন ব্যবস্থা তৈরি করা।
- অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর জন্য একক তদারকি ব্যবস্থা চালু করা এবং কোন ফাইল কত দিন আটকে আছে, সেই তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করা।
- ৯০ দিনের কর্মপরিকল্পনার হিসাব ও অগ্রগতি প্রতিবেদন: জ্বালানি খাত নিয়ে সরকারের কাছে পূর্বে জমা দেওয়া খসড়া পরিকল্পনার কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে, তার হিসাব চাওয়া হয়েছে এবং ৯০ দিন পর জাতীয় সংসদে অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জ্বালানি নিরাপত্তা ও জনদুর্ভোগ লাঘবে সরকার যদি স্বচ্ছ ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়, তবে দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে তারা সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
